• বুধবার , ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্রান্স দলে বিভক্তির শঙ্কা, এমবাপে-দেম্বেলেকে ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

ফ্রান্স দলে বিভক্তির শঙ্কা, এমবাপে-দেম্বেলেকে ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩৩ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যালন ডি’অর নিয়ে কিলিয়ান এমবাপের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর ফ্রান্স জাতীয় দলের অন্দরমহলে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। বর্তমান ব্যালন ডি’অর জয়ী উসমান দেম্বেলে এবং জাতীয় দলের কয়েকজন সতীর্থ এমবাপের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে ফরাসি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ফলে আসন্ন ম্যাচের আগে ফ্রান্সের ড্রেসিংরুমে বিভাজনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি নিজের ক্যারিয়ার ও ব্যালন ডি’অর প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এমবাপে নিজেকে দীর্ঘদিন ধরে ‘নির্বাচিত একজন’ হিসেবে বিবেচনা করা হতো বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে চোটের কারণে দেম্বেলের ক্যারিয়ার ভিন্ন পথে এগিয়েছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। তার এই বক্তব্যই দুই তারকার মধ্যে নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত করে।

এর জবাবে পিএসজির হয়ে ব্রেস্তের বিপক্ষে জয়ের পর দেম্বেলে বলেন, নিজের সাফল্যের পেছনে তিনি কোনো বিশেষ সুবিধা পাননি। বরং কঠোর পরিশ্রম এবং প্যারিসে কাটানো সফল সময়ের স্বীকৃতি হিসেবেই ব্যালন ডি’অর জিতেছেন বলে জানান তিনি। এরপর থেকেই দুই তারকার সম্পর্ক ও জাতীয় দলের পরিবেশ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সাবেক ফরাসি ফুটবলার ও বিশ্লেষক জেরোম রোথেনের দাবি, এমবাপের মন্তব্য দেম্বেলেকে গভীরভাবে আঘাত করেছে। রোথেনের ভাষ্য অনুযায়ী, দেম্বেলে বিষয়টিকে এক ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছেন এবং এমবাপের ওপর তিনি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ। এমনকি এমবাপের বক্তব্যে জাতীয় দলের কয়েকজন খেলোয়াড়ও অসন্তুষ্ট হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেছেন।

রোথেন আরও বলেছেন, ফ্রান্স দলে এখন এমন কিছু খেলোয়াড় রয়েছেন যারা এমবাপের সব বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন এবং তাদের অবস্থান দেম্বেলের কাছাকাছি। তার দাবি, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে দলটির মধ্যে দৃশ্যত দুটি পক্ষের মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে এটি মূলত সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও বিশ্লেষকদের বক্তব্য; ফ্রান্স দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিভক্তির কথা জানানো হয়নি।

ব্যালন ডি’অরকে ঘিরে দুই তারকার এই প্রকাশ্য পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এখন ফ্রান্স জাতীয় দলের জন্য নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামনে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ থাকায় দলের অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক ও মাঠের পারফরম্যান্সে এই বিতর্কের কোনো প্রভাব পড়ে কি না, সেদিকেই নজর থাকবে ফুটবল বিশ্বের।

বিজ্ঞাপন