ফিলিস্তিনি বন্দীর ওপর নৃশংস নির্যাতন ভিডিও: সামরিক আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ


প্রকাশিত: ০৩:৪৮ ১ নভেম্বর ২০২৫
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর প্রধান আইন কর্মকর্তা মেজর-জেনারেল অ্যাডভোকেট জেনারেল ইয়াফাত তোমের-ইয়েরুশালমি পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের পেছনে কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালের আগস্টে গাজায় ফিলিস্তিনি বন্দীর ওপর সৈন্যদের নির্যাতনের একটি ভিডিও প্রকাশের অনুমোদন দেওয়ার জন্য।
ঘটনাটি ঘটে তখন, ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার সময় এক বন্দীকে আটক করা হয়েছিল। পরে ওই ভিডিও ফাঁস হওয়ায় পাঁচজন ইসরায়েলি সেনার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, সৈন্যরা বন্দীকে আলাদা স্থানে নিয়ে যান, যেখানে তারা দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম ব্যবহার করে তাদের কার্যকলাপ আড়াল করার চেষ্টা করছিল। সৈন্যদের সঙ্গে কুকুরও ছিল।
তদন্তের সময়, কট্টর ডানপন্থী রাজনীতিবিদরা বিক্ষোভে সামরিক ঘাঁটিতে অনুপ্রবেশ করেন। ঘটনার একটি নিরাপত্তা ক্যামেরার ভিডিও ইসরায়েলের এন১২ নিউজ ফাঁস করে দেয়।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানিয়েছেন, ভিডিও ফাঁসের বিষয়ে ফৌজদারি তদন্ত চলছে এবং তোমের-ইয়েরুশালমিকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। তোমের-ইয়েরুশালমি আত্মপক্ষ সমর্থন করে জানিয়েছেন, ভিডিও প্রকাশের উদ্দেশ্য ছিল সামরিক বাহিনীর আইন বিভাগের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করা।
ভিডিও ফুটেজটি সদে তেইমান আটক কেন্দ্র থেকে পাওয়া গেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামলায় অংশ নেওয়া কিছু হামাস যোদ্ধা এবং পরে গাজায় ইসরায়েলের নৃশংস অভিযানের সময় আটক ফিলিস্তিনিদের এখানে রাখা হয়েছিল। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো জানিয়েছেন, যুদ্ধের সময় ইসরায়েলি হেফাজতে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর গুরুতর নির্যাতনের খবর পাওয়া গেছে। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, এই নির্যাতন পদ্ধতিগত ছিল না।
তোমের-ইয়েরুশালমি তাঁর পদত্যাগপত্রে বন্দীদের ‘নিকৃষ্টতম ধরনের সন্ত্রাসী’ বলে অভিহিত করেছেন, তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সন্দেহজনক নির্যাতনের তদন্তের বাধ্যবাধকতা এড়িয়ে যাওয়া যায় না।
ইসরায়েলের কিছু রাজনীতিবিদ পদত্যাগকে দ্রুত স্বাগত জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতামার বেন-গভির পদত্যাগকে প্রশংসা করেছেন এবং আরও আইন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। বেন-গভির নিজে ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর তার কট্টরপন্থী মনোভাব প্রকাশ করা একটি ভিডিওও প্রকাশ করেছেন।
চলতি মাসে, যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে গাজার প্রায় ১,৭০০ বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়। এঁদের মধ্যে অনেকে বন্দিদশায় ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। হামাসের কাছে বন্দী থাকা কিছু ইসরায়েলি জানিয়েছে, বেন-গভিরের দম্ভপূর্ণ মন্তব্যের কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতো। তবে বেন-গভির দাবি করেছেন, এসব অভিযোগ উল্টো হামাসের পক্ষেই যাচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক
- অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি পেতেই জামায়াত জোটে আসিফ: রাশেদ খাঁন
- দেশে ফিরেই আওয়ামী লীগকে লজ্জার রাজনীতি না করার বার্তা বাঁধনের
- জামানত ছাড়াই ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, পাবেন যেসব তরুণ উদ্যোক্তা
- নাকভির হাত থেকে ট্রফি না নেওয়ার কারণ জানাল ভারত
- দোতলা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নির্মাণ করছে উত্তর কোরিয়া
- উত্তরা থেকে জামালপুর আওয়ামী লীগ নেতা শাহীনুজ্জামান গ্রেপ্তার
- ডেভিড ইমনের সহযোগী ‘ডাবা হারুন’ গ্রেপ্তার
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য সরকারের
- ১০ মাস পর ঢাকায় ফিরছে কাভিশ, সঙ্গে শিরোনামহীন ও মেঘদল
- ইসলামের নামে যারা সমাজে ঘৃণা ছড়ায়, তারা সর্বোচ্চ মাসুদ হওয়ার যোগ্য
- রাজ্জাক দেওয়ান স্মরণে গাইবেন বগা তালেবসহ ১৫ শিল্পী
- মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
- টেস্টোস্টেরন পরীক্ষায় কি লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব? জানুন বিজ্ঞান কী বলে
- ভারতে ‘ভূত আতঙ্কে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী, চিকিৎসকদের ভিন্ন ব্যাখ্যা
- হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ইরান
- এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী
- ফের ‘জান্নাত’ নিয়ে আসছেন ইমরান হাশমি, আসছে ‘জান্নাত ৩’
- ডা. তাসনিম জারা: শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও রাজনীতি
- আখ চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য, খুলছে বাড়তি আয়ের পথ
- পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু




