যেভাবে সুরক্ষা পেল আম, ছোট হিমাগারে

প্রকাশিত: ১২:১৫ ২৭ জুলাই ২০২৪
নাম ‘মিনি কোল্ড স্টোরেজ’। ধারণক্ষমতা ১০ টন। রাজশাহীর বাঘার আমচাষি শফিকুল ইসলাম তাতে ৯ টন আম রেখেছিলেন। এর মধ্যে শুরু হলো দেশে অস্থিরতা। আম বিক্রি করা যায়নি। ১৭ দিন পর গত বুধবার ওই হিমাগার থেকে আম বের করে দেখা গেল একটি আমের গায়েও কোনো স্পট নেই। সেই আম এখন ভালো দামে বিক্রিও করা যাচ্ছে।
শফিকুল ইসলামের বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কলিগ্রামে। উপজেলার পাকুড়িয়া বাজারে শফিকুল ইসলাম ও তাঁর ভাই আসাফ উদ দৌলার ‘সাদি এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বাঘা উপজেলার বড় আম উৎপাদনকারী চাষি তাঁরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এক প্রকল্পের আওতায় শফিকুল ইসলামের জমিতে এই মিনি কোল্ড স্টোরেজ বা ছোট হিমাগার স্থাপন করেছে। শফিকুল ইসলাম প্রথমবারের মতো ৬ জুলাই থেকে এই হিমাগারে আম্রপালি, লকনা, ফজলি, আড়াজাম জাতের ৯ টন আম সংরক্ষণ করেন। প্রকল্পটি চালুর আগে বলা হয়েছিল যেকোনো দুর্যোগে ২০ থেকে ২৫ দিন পর্যন্ত এই হিমাগারে আম সংরক্ষণ করা যাবে।
গত বুধবার বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া বাজারে গিয়ে দেখা যায়, হিমাগারে রাখা আম বের করে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। আমগুলো যেমন রাখা হয়েছিল, ঠিক তেমনই রয়েছে। এ সময় আসাফ উদ দৌলা বলেন, সাধারণত ফ্রিজে আম সংরক্ষণ করা হলে ওপরের খোসা জড়ো হয়ে যায়। কিন্তু হিমাগারে তা হয়নি।
এদিকে প্রকল্পের আওতায় ছোট এই হিমাগারের পাশে তৈরি করা হয়েছে একটি প্যাকেজিং হাউস। হিমাগার থেকে বের করা আম কত দিন ঠিক থাকে তা যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে এই প্যাকেজিং হাউসের মাধ্যমে। হিমাগারে রাখা শফিকুল ইসলামদের আম হিমাগার থেকে বের করে গত ১০ দিন এই প্যাকেজিং হাউসে রাখা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো আম নষ্ট হয়নি।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প থেকে প্যাকেজিং হাউসটি নির্মাণ করা হয়েছে। সাদি এন্টারপ্রাইজ ২০১৫ সাল থেকে আম রপ্তানি করে আসছে। এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ২০০ টনের বেশি আম ইউরোপে রপ্তানি করেছে। এ বছর রপ্তানি করেছে চার টন আম।
বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান জানান, সাদি এন্টারপ্রাইজ রাজশাহীর একটি বড় আম উৎপাদন ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। রপ্তানির সুবিধার্থে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তাঁদের জমিতে এই হিমাগার তৈরি করে দিয়েছে।
এ বিষয়ে হিমাগার প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক এস এম আমিনুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, রাজশাহী বিভাগে ১১টি মিনি কোল্ড স্টোরেজ বা ছোট হিমাগার নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বাঘার হিমাগারটিসহ তিনটির ব্যবহার শুরু হয়েছে। এর বাইরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের আরেকটি হিমাগারে ২ টন আম, ১ টন আমসত্ত্ব ও ১৩ মণ আখের গুড় সংরক্ষণ করা হয়েছে। আর পুঠিয়ার হিমাগারে গাজর ও টমেটো রাখা হয়েছে।
এম এম আমিনুজ্জামান জানান, এসব হিমাগারে ২০ থেকে ২৫ দিন পর্যন্ত আম বা অন্য শাকসবজি নিরাপদে সংরক্ষণ করা যাবে। প্রতিটি হিমাগার তৈরিতে খরচ হয়েছে প্রায় ২৭ লাখ টাকা। জমি দিয়েছেন চাষি।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - অর্থ ও বাণিজ্য
- কারাগারেই জন্ম, ৭ বছর পর মায়ের হাত ধরে মুক্ত মোবাশ্বেরা
- জিন্নাহ-শেখ মুজিব সম্পর্কের অজানা অধ্যায়, কী হয়েছিল ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে?
- প্রাক্তনকে বারবার মনে পড়ছে? যেসব উপায়ে ভুলতে পারবেন
- নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে চলবে বৈদ্যুতিক ট্রেন, ব্যয় ৩৮২২ কোটি
- আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলার হুঁশিয়ারি ফরিদা ইয়াসমিনের
- আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবার মাঠে নামতে যাচ্ছেন মেসি
- হুথি সংকট মোকাবিলায় ইসরায়েলের গোয়েন্দা সহায়তা চেয়েছে সৌদি আরব: প্রতিবেদন
- একনেক সভায় ৬৫ হাজার কোটি টাকার ১৬ প্রকল্প, মেট্রোরেলেই ৪৫ হাজার কোটি
- কারাগারেই মায়ের আদ্যশ্রাদ্ধ করতে চান চিন্ময় কৃষ্ণ দাস
- বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ ছাড়ছেন সালমান এফ রহমান
- রাজ্জাক দেওয়ান স্মরণে গাইবেন বগা তালেবসহ ১৫ শিল্পী
- মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
- ডা. তাসনিম জারা: শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও রাজনীতি
- হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ইরান
- আখ চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য, খুলছে বাড়তি আয়ের পথ
- অকালে হারানো বাংলা চলচ্চিত্রের চিরসবুজ মহানায়ক সালমান শাহ
- পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু
- এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী
- দেশজুড়ে আরও পাঁচ দিন টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস
- শরীফুলের বোলিংয়ে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক




